তাড়াশে বিয়ে বাড়ীতে কণের আসনে বসেই রোগী দেখলেন- অধ্যাপক ডা. আব্দুল আজিজ এমপি

তাড়াশে বিয়ে বাড়ীতে কণের আসনে বসেই রোগী দেখলেন- অধ্যাপক ডা. আব্দুল আজিজ এমপি
তাড়াশ প্রতিনিধিঃ সময়টা দুপুর গড়িয়ে গেছে। বিয়ে বাড়ীতে চলছে ধুমধাম। এদিকে বড়যাত্রীও চলে এসেছে। বড়কে নিয়ে চলছে গেইটে লাল ফিতা টাংগিয়ে শালী, দাদী ও ভাবীদের মিষ্টি ও শরবত খাওয়া নিয়ে হৈ চৈ। বর মসাই কোলদারা নিয়ে চুপচাপ। এমন সময় ওই গেইটে হাজির হলেন সংসদ সদস্য। ওই গেইট দিয়েই প্রবেশ করতে হবে তাকেও। বরের পাশে দাঁড়িয়ে সংসদ সদস্য বললেন আমরা বর নিয়ে প্রবেশ করবো। কণের দাদী ও বোনেরা বলছে- ফি না দিলে যেতে দিবো না। তাছাড়া বরকে মিষ্টি মুখ করে শরবত খেতে হবে। এভাবেইে চলছে দু-দলের হৈ চৈ য়ের আনন্দ।
এ অঞ্চলে বরকে নিয়ে বিয়ে বাড়ীতে ছোট বোন, ভাবী ও দাদীদের এমন আরোও কিছু পর্ব, বহুকাল যাবৎ চলমান আছে।
সাধারনের আসনে বসে খাওয়া দাওয়া শেষে কণের মুখ দেখে আশির্বাদ করার জন্য চেয়ারে বসতে রুগী হাজির। সবার দৃষ্টি এমপি’র দিকে। এখন তিনি কি করবেন? এপিএস কামরুল হক রাসেলকে ডেকে বললেন কলম আর প্যাড দাও। কি সমস্যা ওর। শিশুটির মা সমস্যাগুলো বলল। এমপি সাহেব প্রেসক্রিপশান লিখে বাচ্চাটিকে দু-হাত এগিয়ে শিশুটিকে কোলে তুলে নিলেন। বললেন তুমি বড় হয়ে আলোকিত মানুষ হও। আমি তোমার জন্য দোয়া করি।
একজন সংসদ সদস্য’র এমন আচারনে বিয়ে বাড়ীর সকলেই বলাবলি শুরু করলেন-পথে-ঘাটে, বাড়ীতে-গাড়ীতে, সভা-মঞ্চে আজ দেখছি কণের আসনেও তিনি রুগী দেখছেন। ডা. আব্দুল আজিজ একজন সত্যিকারের মানব সেবক।
এমন ঘটনা ঘটেছে রবিবার ( ৫ নভেম্বর) তাড়াশ পৌরসভার মো. আব্দুল হামিদের বাড়ীতে। কণে মোছা. তাবসনিস আরা এ্যনি (২১) পৌরসভার মো. আমজাদ হোসেন খাঁনের ছেলে মো. আব্দুল গণির ১ম কণ্যা এবং মো. আব্দুল হামিদের নাতনী। ৫ লাখ টাকা দেন মহর দিয়ে বিয়ে করতে এসেছেন তাড়াশ উপজেলার চরকুশাবাড়ী সবুজপাড়া গ্রামের মরহুম আব্দুর রশিদ মাস্টারে ছেলে চক্ষু চিকিৎসক মো. আব্দুল হাদী (২৫)।
বিয়েতে হাজার খানেক মানুষকে দুপুরে থেকে সন্ধ্যা অবদি ভুরি ভোজ করার বিষয়টি নিশ্চিত করছেন এ্যানির বড় বাবা মো. শাহিনুর আলম লাবু। সন্ধ্যায় বরের হাতে কণেকে সুপেয় দিয়েছেন।

Check Also

তাড়াশ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতিক বরাদ্দ

মোঃ মনিরুল ইসলামঃ আসন্ন ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনী এলাকাগুলোতে বইতে শুরু করেছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *